Monday, July 12, 2021

আম্বার আইটি আইপি ফোন (Amber IT IP Phone) কি? কিভাবে কাজ করে এবং কেন ব্যবহার করবেন।

আম্বার আইটি আইপি ফোন (Amber IT IP Phone) কি? কিভাবে কাজ করে এবং কেন ব্যবহার করবেন।

আম্বার আইটি আইপি ফোন (Amber IT IP Phone) কি? কিভাবে কাজ করে এবং কেন ব্যবহার করবেন। আসুন জেনে নেই।

আম্বার আইটি আইপি ফোন (Amber IT IP Phone) অ্যাপটির নাম আমরা অনেকেই শুনে থাকি তবে অনেকেই জানিনা এটা কি এবং কিভাবে কাজ করে। মূলত আম্বার আইটি আইপি ফোন (Amber IT IP Phone) একটি আইপি নেটওয়ার্ক  যার মাধ্যমে আমরা একটা ফোন থেকে অন্য ফোনে অল্প মূল্যে মেসেজ বা কথা বলতে পারি। 


মূলত (Amber IT IP Phone) এটি একটি অনলাইন ভিত্তিক আইপি নেটওয়ার্ক প্রদানকারী  প্রতিষ্ঠান যা আম্বার কোম্পানির তৈরি। আম্বার মূলত এই (Amber IT IP Phone) সেবাটি চালু করে বাংলাদেশ ভিত্তিক গ্রাহকদের উদ্দেশ্য করে। আপনি চাইলেই এর (Amber IT IP Phone) মাধ্যমে আপনার অপজিট আইপি নাম্বারের সাথে ফ্রিতে কথা বলতে পারেন। বাংলাদেশে আম্বার (Amber IT IP Phone) ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে যারা আইপি ফোন সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকে এ ধরনের সার্ভিস প্রোভাইডার সাধারণত গ্রাহকদের ন্যূনতম কল রেটে সেবা প্রদান করে থাকে। 

এধরনের (Amber IT IP Phone) অ্যাপসে কি কি সেবা পাওয়া যায় এবং আপনাকে যা করতে হবে- 

১। এই অ্যাপস (Amber IT IP Phone) থেকে আপনি যেকোন কাউকে কল, মেসেজ বা ভিডিও কল করতে পারবেন খুব অল্প মূল্যে বা ফ্রী তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

২। আপনি আনলিমিটেড ফ্রি কথা বলতে পারবেন আপনার আইপি সফটওয়ারের ঠিক অপজিট ব্যবহারকারীও যদি সেই সফটওয়ারটা (Amber IT IP Phone) ব্যবহার করে থাকে।

৩। আপনি বিকাশ বা অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে এই (Amber IT IP Phone) অ্যাপসগুলোতে টাকা রিচার্জ করতে পারবেন। 

৪। অপজিট যেকোনো নাম্বারে সর্বনিম্ন কলরেট মাত্র 40 পয়সা প্রতি মিনিট কথা বলতে পারবেন এবং প্রতি মেসেজ মাত্র 15 পয়সা রেটে। (+ ভ্যাট)

৫৷ আপনি কথা বলতে পারবেন তবে যে কল করবে তার ইন্টারনেট কানেকশন অবশ্যই থাকতে হবে। 

হয়তো আপনি ভাবতে পারেন অন্যান্য সোশ্যাল সাইট যেমন ইমু, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার বা মেসেঞ্জার এ ধরনের অ্যাপস দিয়েও কল করা যায় তাহলে এগুলো ছাড়া আপনি আইপি নেটওয়ার্ক বা আইপি অ্যাপ কেন ব্যবহার করবেন? অন্যান্য সোশ্যাল সাইটে আপনি শুধুমাত্র অনলাইনে যারা আছে তাদের কে কল করতে পারবেন এবং সেই অ্যাকাউন্টগুলো ব্যবহারকারীদের কে কল করতে পারবেন অন্যদেরকে না। তবে যদি আইপি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন বা আইপি অ্যাপ ব্যবহার করেন আপনি যে কোন নাম্বারে কথা বলতে পারবেন, সে অনলাইনে থাকুক বা না থাকুক। শুধুমাত্র আপনার ইন্টারনেট কানেকশন এবং ব্যালেন্স থাকলেই হবে।

তবে আপনি অনলাইনে যারা আছে অর্থাৎ আপনার ব্যবহৃত আইপি অ্যাপ যারা ব্যবহার করে তাদেরকে ফ্রিতে কল করতে পারবেন। আর যারা অফলাইন অর্থাৎ যারা আইপি অ্যাপ ব্যবহার করে না তাদেরকে প্রতি মিনিট নিদৃষ্ট কলরেটে কল করতে পারবেন। 

এবার আসি কিভাবে আইপি নেটওয়ার্ক অন করা যায় বা কিভাবে কাজ করা যায়

ধাপ ১- আপনি যেটা করবেন প্রথমত গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে বাংলাদেশে আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার (Amber IT IP Phone) যেকোনো একটি অ্যাপস ডাউনলোড করবেন যেমন আম্বার আইটি আইপি ফোন (Amber IT IP Phone) অথবা এমন অ্যাপ। 

ধাপ ২- আপনি প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো দিয়ে একটা একাউন্ট তৈরী করবেন। সাধারণত যে ধরনের ইনফরমেশন চেয়ে থাকে তা হচ্ছে আপনার নাম, ফোন নাম্বার, ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার, ভোটার আইডির ফন্ট এবং ব্যাক পার্টের ছবি ইত্যাদি। 

ধাপ ৩- এই অ্যাপ (Amber IT IP Phone) গুলোতে আপনি একাউন্ট খোলার পর 24 থেকে 36 ঘন্টা তাদের পুরোপুরি সার্ভিস পাবেন না। কেননা এই অ্যাপসগুলোতে অ্যাকাউন্ট খোলার সাথে সাথেই আপনার একাউন্টটা একটিভ হয় না। কর্তৃপক্ষ ম্যানুয়ালি আপনার ইনফরমেশন গুলোকে চেক করে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই করে। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষে আপনাকে মেসেজ বা নোটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়। ভেরিফিকেশন ঠিকঠাকভাবে হয়ে গেলেই আপনি অ্যাপটির পূর্ণ ব্যবহার করতে পারবেন। তাই এধরনের অ্যাপসে অ্যাকাউন্ট খুললে বা একাউন্ট খোলার সময় আপনার সঠিক তথ্য দিয়ে একাউন্ট খুলবেন তাছাড়া আপনার একাউন্টি ভেরিফাই হবে না। 

ধাপ ৪- আপনি আপনার মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট থেকে এই আইপি অ্যাপসগুলোতে (Amber IT IP Phone) বা আইপি একাউন্ট গুলোতে রিচার্জ করবেন। রিচার্জ করার পর আপনি সেই ব্যালেন্স দিয়ে যে কাউকে কল করতে পারবেন। 

মূলত এই (Amber IT IP Phone) ধরনের অ্যাপস গুলো কারা ব্যবহার করে বেশি এবং কেন?

মূলত এই ধরনের (Amber IT IP Phone) সেবা চালু করা হয়েছে ফোন কোম্পানিগুলোর উচ্চ কলরেট থেকে ব্যাবসায়িক লস কমিয়ে আনার জন্য। যাদের ব্যবসায়িক কাজে মোবাইল ফোনে প্রচুর কথা বলার প্রয়োজন হয় সে সকল কাজে এটি (Amber IT IP Phone) বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়াও অধিক মেম্বার সম্পূর্ণ টিমের মধ্যে ইন্টার্নাল কানেকশন অক্ষুন্ন রাখার প্রয়োজন পড়ে তাদের মাঝে এই ধরনের অ্যাপস বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে এসকল সেবা সাশ্রয়ী হওয়ায় ব্যক্তি পর্যায়ে দিন দিন এর (Amber IT IP Phone) ব্যবহার বেড়েই চলেছে। 

Wednesday, June 30, 2021

ফেসবুক এবং ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড অ্যাপ্লিকেশন।

ফেসবুক এবং ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড অ্যাপ্লিকেশন।

ফেসবুক এবং ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড অ্যাপ্লিকেশন। 

আমরা অনেকেই আছি যারা ফেসবুক এবং ইউটিউব এ বিভিন্ন ভিডিও দেখে থাকি এর মধ্যে কিছু ভিডিও আমাদের প্রয়োজন পড়ে ডাউনলোড করার বা ইন্টারনেট সাশ্রয়ের জন্য আমরা বিভিন্ন ভিডিও ডাউনলোড করে থাকি । অনলাইনে সাধারণত অনেক অ্যাপস পাওয়া যায় যেগুলো দিয়ে ভিডিও ডাউনলোড করা যায় তবে এই অ্যাপস গুলোর মধ্যে বেশিরভাগই কিছুদিন কাজ করে অথবা কিছু কিছু আছে যা দু একবার কাজ করে কিন্তু পরবর্তীতে আর কাজ করে না। এছাড়াও লিংক কপি পেস্ট করার ঝামেলা তো আছেই। 

আজকে আপনাদের সামনে একটা অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করব যেটি দিয়ে খুব সহজে আপনি ইউটিউব, ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোশ্যাল সাইট থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন তাও আবার লিংক কপি পেস্ট না করেই। শুধুমাত্র শেয়ার অপশন ক্লিক করেই। অ্যাপসটি আপনি প্লে স্টোরে পাবেন না তবে গুগল থেকে সার্চ করে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। 

আসুন আমরা জেনে নেই কিভাবে Snaptube অ্যাপ ডাউনলোড করা যায়। 

স্টেপ-১ : আপনার ফোনের যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করুন।


স্টেপ- ২ : সার্চ অপশনে Snaptube লিখে সার্চ করুন



স্টেপ- ৩ : Snaptube এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট  ওপেন করুন এবং Snaptube অ্যাপটি ডাউনলোড  করুন। ইন্সটল হয়ে গেলে অ্যাপটি ওপেন করে ঘুরে আসুন। আপনার Snaptube অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত। 


Snaptube অ্যাপসটির মাধ্যমে আপনি যে কোন প্লাটফর্মের ভিডিও খুব সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন। এখানে আপনি পাচ্ছেন যেকোনো সাইজের ভিডিও  ডাউনলোড করার সুবিধা। আপনি চাইলে এইচডি, ফুল এইচডি অথবা mp3 ফরম্যাটেও ডাউনলোড করতে পারেন। আর এর জন্য আপনাকে বারবার অ্যাপসটি চালু করার প্রয়োজন পড়বে না।

যে ভিডিওটি ডাউনলোড করবেন সেই ভিডিওতে শেয়ার বাটন এ ক্লিক করে শেয়ার অপশন থেকে আপনি Snaptube সিলেক্ট করে দিলেই ভিডিওটি কোন ফরমেটে আপনি ডাউনলোড করতে চান তা শো করবে এবং আপনি ফরমেট সিলেক্ট করে খুব সহজেই ভিডিও টি ডাউনলোড করতে পারবেন। 


Saturday, January 16, 2021

Best Android Application:TextArt - Text on photo - Photo Text edit

Best Android Application:TextArt - Text on photo - Photo Text edit

Best Android Application:TextArt - Text on photo - Photo Text edit

Although many words can be expressed through pictures but if there is text with the picture it will be a paradise on earth. Text on Photo is such a user friendly free application that helps you to decorate your expression in a very short time without any difficulties.

If you are searching an easy, time saving, fabulous application for adding, editing text, photo then Text on photo is for you.

TextArt - Text on photo - Photo Text edit : User Friendly, Free

The update version of Text on photo is 2.0.1 which requires Android 5.0+. This new version contains much more new and unique features such as –

  • Image shape cutout.

  • Fit background & background effect adjustment.

  • Support text template & UX performance.

Some powerful features make Text on photo application extraordinary from others app.

Ease to use:

Using TextArt - Text on photo - Photo Text edit easy to create quotes, memes, and typography design.

Font: 

Text on photo application has more than 800+ expressive, lovely fonts. You can customize text as you want in size, color, effect and stroke.


Text editor toolkit:

It has effective text editor toolkit as crop, filter and saturation, colorize, blur, sharpen, transparency etc.

Text on photo application have auto saving option, you can simply save your customized photo on your camera roll on and  can share your creativity via any social media or messaging network like Facebook, WhatsApp, Instagram. 

Why like it:

  • User friendly

  • Versatility

  • Scalability

  • Various color background option.

  • Quick & simple.

  • So many colorful, cute, innovative sticker & emoji.

This super fantastic Text on photo app is available on Google playstore. Write down TextArt – Text on photo or click this link and install this amazing app.

FAQs:

  • Which one is easy to add text on photo?

  • TextArt - Text on photo - Photo Text edit.

  • Is it free or paid app?

  • This is free app.

Final Words:

In today’s digital age, you can wish your loved ones by adding and editing text on the photo as you want. If you are an online marketer you can also create your own banner for your online shop with huge varieties & creative tools on TextArt – Text on photo application. It’s a great app for the beginner who wants to make Thumbnails for Youtube. So waiting for what? Download it and start playing with photo and word by this Text on photo application.

Tuesday, May 19, 2020

পোর্টেবল এলসিডি ডিজিটাল টিডিএস জলের গুণমান পরীক্ষার পেন কীভাবে ব্যবহার করবেন।

পোর্টেবল এলসিডি ডিজিটাল টিডিএস জলের গুণমান পরীক্ষার পেন কীভাবে ব্যবহার করবেন।

নিত্যদিনের প্রয়োজনে পানি অপরিহার্য। একজন মানুষের পক্ষে পানি ছাড়া একটি দিন পার করা প্রায় অসম্ভব। তাই বলা হয় পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া প্রাণীর বাঁচা অসম্ভব আর আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনে পান করার জন্য পানি অপরিহার্য। তবে তা বিশুদ্ধ কিনা জানা অত্যন্ত জরুরী। পানির অপর নাম জীবন ঠিক তেমনি দূষিত পানি পান করে হতে পারে জীবনের ক্ষতি অথবা জীবননাশ। তাই আমাদেরকে পানি পানের ব্যাপারে আরো সতর্ক হওয়া উচিত। আমরা অনেকেই টিউবওয়েল অথবা ওয়াসার লাইনের পানি পান করে থাকি যা দেখতে স্বচ্ছ হলেও এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের দ্রবীভূত পদার্থ যা আমাদের শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। আজকে আমরা কথা বলবো পানিতে দ্রবীভূত পদার্থ গুলো নিয়ে এবং কিভাবে তা নিনয় করা যেতে পারে এবং এর মান কত?
পানিতে দ্রবীভূত খনিজ পদার্থ যেমন মানব দেহের জন্য উপকারী তেমনি কিছু কিছু খনিজ পদার্থ রয়েছে যা মানবদেহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করতে পারে। তাই এসব খনিজ পদার্থ সম্পর্কে জানতে হবে এবং এসব খনিজ পদার্থ কি পরিমান আমাদের খাবার পানিতে বিদ্যমান আছে তা খেয়াল রাখতে হবে। মূলত এই কাজটা আমরা করতে পারি একটি টিডিএস মিটারের সাহায্যে। টিডিএস মিটার মূলত এক ধরনের মিটার যার মাধ্যমে পানির টিডিএস এর পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত টিডিএস এর মান পিপিএম অর্থাৎ পার্টস পার মিলিগ্রাম হিসাবে ব্যক্ত করা হয়ে থাকে। পানিতে বিদ্যমান এই পিপিএম এর মাত্রা যত বেশি হবে সে পানি তত বেশি দূষিত হবে। বাজারে যে পানি কিনতে পাওয়া যায় এসকল পানির টিডিএস এর পরিমাণ সাধারণত খুব অল্প পরিমাণে থাকে। এসব পানিতে বিদ্যমান টিডিএস এর পরিমান 50 থেকে 80 এর মধ্যে থাকে। কখনো কখনো আমরা লাইনের যে পানি খাই এসব পানিতে টিডিএস এর পরিমান 400 থেকে 500 অথবা এর থেকে বেশি থাকতে পারে যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।

এখন জনি টিডিএস মিটার দিয়ে আমরা কি কি করতে পারি। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের টিডিএস মিটার পাওয়া যায় যা দিয়ে আমরা খুব সহজেই পানির টিডিএস নির্ণয় করতে পারি তবে আগে এটা এত সহজলভ্য ছিল না। আগে অনেক এনালগ মিটার ছিল যেগুলো দিয়ে টিভিএস পরিমাপ করা হতো তবে বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে অত্যাধুনিক টিডিএস মিটার এর মাধ্যমে পানির টিডিএস পরিমাপ করা যায়। এই টিডিএস মিটার দেখতে অনেকটা পেন টাইপের হয়ে থাকে যা কলমের মতো হেড খুলে পানিতে এর  সেন্সর ডুবালে পানির টিডিএস এর মান দেখা যায়। বর্তমানে যেসব টিডিএস মিটার পাওয়া যায় সেসব টিডিএস মিটার দিয়ে পানির তাপমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। 

Tuesday, May 5, 2020

মোবাইলে ফ্রিতে করুন পিডিএফ থেকে ওয়ার্ড এবং ওয়ার্ড থেকে পিডিএফ।

মোবাইলে ফ্রিতে করুন পিডিএফ থেকে ওয়ার্ড এবং ওয়ার্ড থেকে পিডিএফ।

যারা জব সংক্রান্ত কাজে সিভি তৈরি করে থাকি এবং ইমেইলে সিভি পাঠিয়ে থাকি তারা কখনো না কখনো ওয়ার্ড ফাইল এবং পিডিএফ ফাইল নিয়ে বেশ ঝামেলায় পরেছি। আর এই কাজটি খুব সহজ হলেও যারা পারে না তাদের কাছে খুব কঠিন মনে হয় এবং কম্পিউটারের যে সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করা হয় এই কাজে তার বেশির ভাগই প্রিমিয়াম সফটওয়্যার তাই ফ্রিতে এটি করা অনেক কষ্টসাধ্য। তবে হ্যাঁ ফ্রিতে করার উপায়ও আছে। এই ছোট্ট একটা কাজের জন্য কেউ তো টাকা খরচ করতে চায় না আর কেনই বা করবে যদি সেই কাজটা ফ্রিতে হয়ে যায়। 

আমরা অনেকেই আছি যারা পিডিএফ নিয়ে খুব বিপদে পড়ি। অনেক সময় দেখা যায় আমাদের প্রয়োজনে বিভিন্ন ওয়ার্ড ফাইল পিডিএফ এ রূপান্তর করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা ফোন দিয়ে কিভাবে করতে হয়। আজকে আমি কথা বলব এমন একটা অ্যাপস নিয়ে যার দ্বারা আপনি খুব সহজে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পিডিএফ সংক্রান্ত যত সমস্যা সব কিছু সমাধান করতে পারবেন। এই অ্যাপ দিয়ে আপনি পিডিএফ ফাইল তৈরি করা পিডিএফ থেকে ওয়ার্ড ফরমেটে নেওয়া এবং ওয়ার্ড ফরমেট থেকে পিডিএফ ফরমেটে টান্সফার করা সহ নানা ধরনের কাজ করতে পারবেন। আপনি চাইলে পিডিএফ থেকে কোন নির্দিষ্ট পাতা বাদ দিতে পারবেন, নতুন করে পাতা যুক্ত করতে পারবেন এছাড়াও একাধিক পিডিএফ ফাইলকে একটা ফাইলে রুপান্তর করতে পারবেন।

অনেক সময় আমরা মাইক্রোসফ!ট ওয়ার্ডে সিভি তৈরি করে থাকি কিন্তু আমরা পিডিএফ ফাইলে রুপান্তর করতে পারি না। যার ফলে ওয়ার্ড ফরমেটে কাউকে সিভি পাঠালে হয়তোবা কখনো এডিট হয়ে যাওয়া বা কোন ভুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু আপনি যখন পিডিএফ ফাইলে রূপান্তর করবেন এবং পিডিএফ ফাইল টি কাউকে পাঠাবেন তখন সে এটি এডিট করতে পারবে না এবং খুব সহজেই প্রিন্ট করতে পারবে। তো চলুন কিভাবে আমরা এটি করতে পারি আলোচনা করি প্রথমে আপনাকে যেটা করতে হবে গুগল প্লে স্টোর থেকে একটা অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে এখানে ক্লিক করে আপনি আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন। অ্যাপটি ডাউনলোড করার পরে খুব সহজভাবেই আপনি অ্যাপস টি ওপেন করে বিভিন্ন টুলস এর নাম দেখতে পারবেন সেখানে লেখা থাকবে পিডিএফ টু পিডিএফ এডিট ওয়াড টু পিডিএফ অথবা pdf to word এ ধরনের নানান ফাংশন।

আপনি জাস্ট ক্লিক করে আপনার নির্ধারিত ফাইল আপলোড করে কোন ফরম্যাটে ট্রানস্ফার করতে চান সিলেক্ট করে সহজেই ট্রানস্ফার করতে পারেন। আর হ্যাঁ এর জন্য আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না বা কোন প্রিমিয়াম সফটওয়্যার কিনতে হবে না তবে হ্যাঁ এই অ্যাপসটিতেও প্রিমিয়াম ভার্সন আছে আপনি যদি প্রিমিয়াম ভার্সনে আপগ্রেড করেন তাহলে আপনি এই অ্যাপসের আরো প্রিমিয়াম ফিচার গুলো আছে সেগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে প্লে স্টোরে যত অ্যাপস আছে তার ভেতরে এটি খুবই একটি কার্যকরী অ্যাপস আর যারা পিডিএফ সংক্রান্ত ঝামেলা এড়াতে চান তারা কিন্তু খুব সহজেই এই অ্যাপস এর মাধ্যমে যাবতীয় পিডিএফ সংক্রান্ত ঝামেলা এড়াতে পারেন। আশা করি এটি আপনাদের কাজে লাগবে এছাড়াও যদি কোনো অ্যাপস অথবা এই সংক্রান্ত যে কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হয় কমেন্টস করে জানাবেন। যারা কম্পিউটারে পিডিএফ সফটওয়্যার ইউজ করতে চান ফ্রিতে তারা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন পরবর্তীকালে চেষ্টা করব কম্পিউটারে কিভাবে কমপ্লিট পিডিএফ ফাইলের সলিউশন দেওয়া যায়।